এই পাতাটি প্রিন্ট করুন এই পাতাটি প্রিন্ট করুন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সুপারিশ

Share
Mother Ilsa

 কৃষিসংবাদ ডেস্ক:

ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সুপারিশ

মা ইলিশ সংরক্ষণে ইলিশ মাছ আহরণ ১৫ দিনের পরিবর্তে ২২ দিন করার সুপারিশ করেছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি মীর শওকাত আলী বাদশার সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক, প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, ইফতিখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু, খন্দকার আজিজুল হক আরজু, মুহাম্মদ আলতাফ আলী এবং সামছুন নাহার বেগম অংশ নেন। মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, মৎস্য আহরণ ও সামুদ্রিক ট্রলার লাইসেন্স প্রদান ও বিদেশী আটককৃত নৌ-যানসমূহের অবস্থা এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কেন্দ্রীয় হাসপাতাল স্টোরে যন্ত্রপাতি ও ঔষধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ প্রক্রিয়া এবং প্রাণিরোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে জীবানুনাশক বায়োসিকিউরিটি ম্যানুয়েল ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা হয়।

এ সময় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, ইলিশ মাছ একটি অভিপ্রায়ণকারী সাগরের মাছ। গবেষণায় ১৫ দিনের পরিবর্তে এক মাস ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করা হলে চারটি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। তা হলো- সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ইলিশ প্রজনন ও আহরণের ভরা মৌসুমে ১ মাস ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা হলে ইলিশ আহরণ/প্রাপ্তি অর্থাৎ উৎপাদন অনেক কমে যাবে। সেইসঙ্গে ভোক্তারা ইলিশ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘন সৃষ্টি হতে পারে এক মাসব্যাপী অবাধে ইলিশ ডিম ছাড়লে। কাঙ্খিত প্রাকৃতিক খাদ্য ও আবাসস্থল সংকটের কারণে মাছের স্বাস্থ্য, আকার ও ডিম ছাড়ার সক্ষমতা হ্রাস হতে পারে। এছাড়া দীর্ঘ সময়ের জন্য জেলে/ব্যবসায়ীদের জীবন জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন দুরুহ ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে।

কমিটি এসব বিষয়াদি বিবেচনায় নিয়ে মা ইলিশ সংরক্ষণের সময়সীমা ১৫দিন থেকে বাড়িয়ে একমাস না করে ২২ দিন করার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে সব এমপিদের নিকট ডিও লেটার প্রদানের সুপারিশ করেছে।

আরও পড়ুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৬-২০১৭. কৃষিসংবাদ.কম
(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত)