এই পাতাটি প্রিন্ট করুন এই পাতাটি প্রিন্ট করুন

হর্টিকালচার সেন্টারে উৎপাদিত গৌরমতি আম চারার কদর বেড়েছে

Share

গৌরমতি আম চারার কদর বেড়েছে

মো. মোশারফ হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক:

গৌরমতি আম চারার কদর বেড়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উৎপাদিত গৌরমতি আমের চারার কদর বেড়েছে। ওই হর্টিকালচারে বীজ থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন গাছ ও কলমের মাধ্যমে উৎপাদিত বিভিন্ন চারার মধ্যে গৌরমতি আমের কলম করা চারার চাহিদা গত বছরের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে বলে জানান, কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক (ডিডি) ড. মো. সাইফুর রহমান।

ডিডি ড. মো. সাইফুর রহমানের দেয়া তথ্যমতে, এবছর ওই হর্টিকালচার সেন্টারের আওতায় দশ সহস্রাধিক গৌরমতি জাতের আমের কলম কাটা চারা উৎপাদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই সব চারা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিক্রি করা শুরু হয়েছে। বিক্রি শুরুর প্রথম দিনে (১২ জুলাই, বৃহস্পতিবার) সকালে প্রথম ক্রেতা হিসেবে টাঙ্গাইলের মঞ্জুর তারিকের কাছে ২৫০টি এবং দ্বিতীয় ক্রেতা রংপুরের নাসিরুল হকের কাছে ১৭০ টি চারা বিক্রি করার মাধ্যমে ওইসব চারা বিক্রির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

ওই দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে চারা বিক্রি উদ্বোধন করেন কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক (ডিডি) ড. মো. সাইফুর রহমান ও জার্মপ্লাজম অফিসার মো. জহুরুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ক্রেতা কৃষক-কৃষানী, শিবগঞ্জ উপজেলা ও পৌর এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে ফল বাগানের প্রতি আগ্রহী করতে এবং চারা রোপন পরবর্তী গাছের সেবা বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ দেন ওই হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক ও জার্মপ্লাজম অফিসারসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নার্সারি মালিক ও ফল বাগানের মালিকরা জানান, অন্যান্য আবাদের তুলনায় ফলের বাগানে অধিক লাভ পাওয়ায় আধুনিক পদ্ধতিতে মডেল ফল বাগানের দিকে তারা ঝুঁকছেন। তাদের দেখাদেখি এলাকার অনেকেই অন্যান্য আবাদ ছেড়ে বিভিন্ন ফল বাগানে আগ্রহী হয়েছেন। এমন ফল বাগানের পরিমাণ ও কৃষকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে তারা জানান। আগামীতে হর্টিকাচার সেন্টারে উৎপাদিত বিভিন্ন ফল চারার চাহিদা দ্বিগুণ হতে পারে বলে ধারনা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। এতে করে দেশের মানুষের ফলের পুষ্টি চাহিদা অনেকটাই পূরন হবে, পাশাপাশি বিদেশ থেকে ফল আমদানীর পরিমান কমবে। ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত বিদেশী ফল খাওয়া কমিয়ে মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে মুক্তি পাবে লাখো বাঙ্গালী এমনটাই আশা করছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, কৃষি কর্মকর্তাগন, কৃষি গবেষকগণ ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৭-২০১৮. কৃষিসংবাদ.কম
(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত)