ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হলো সিকৃবি 

SAU

কৃষি সংবাদ ডেস্ক

পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে  ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হলো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী ভবনের ই-রিসোর্স সেন্টারে সিকৃবি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুই দিন ব্যাপি “ডি-নথির ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ” এর সমাপনী দিনে ৩৭ তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে  ডি-নথির কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সিকৃবি আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউজিসির আইসিটি বিভাগের পরিচালক জনাব মোঃ ওমর ফারুখ,  সিকৃবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় ডি-নথি ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার আমাদের দাপ্তরিক কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।

ডি-নথির মাধ্যমে নথি ব্যবস্থাপনা সহজ, দ্রুত ও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে সময় ও কাগজের ব্যবহার কমবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে । তিনি বলেন,ডি–নথির মাধ্যমে যেকোন স্থান থেকে ফাইল নিষ্পত্তি করা যায়। ফলে কোনো ফাইল নিজের ইচ্ছেমাফিক আটকে রাখার সুযোগ থাকবে না, ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে। এতে দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি তৈরি হবে। ডি নথির ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা নিশ্চিত করবে। তিনি সবাইকে গতানুগতিক মানসিকতা পরিহার করে  প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

Advisory Editor

Advisory Editor of http://www.krishisongbad.com/

Learn More →